Saturday, October 22, 2022

শোকাহত জ্যাকুলিন, বললেন শ্রীলঙ্কার পাশে থাকতে

শ্রীলঙ্কায় জন্ম হলেও বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ভারতেই তার বেশি সময় কাটে। তার জন্ম বাহরাইনে হলেও তার বাবা এলরয় একজন শ্রীলঙ্কার মানুষ।

কলেজের পাঠ চুকিয়ে শ্রীলঙ্কায় কয়েকটি টিভি শো করেছিলেন জ্যাকুলিন। ২০০৬ সালে ‘মিস ইউনিভার্স শ্রীলঙ্কার’ খেতাব জেতার পরে তার জীবনের মোড় ঘুরে যায়।

২০০৯ সাল থেকে একের পর এক ভারতীয় ছবিতে কাজ করেছেন তিনি। তার ভক্তের সংখ্যা উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে।

তবে নিজের দেশের বর্তমান এই উত্তাল পরিস্থিতি ভাবিয়ে তুলেছে তাকে। দেশবাসীর পাশে দাঁড়িয়ে তিনি বিপর্যয় মোকাবিলার বার্তা দিলেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

বর্তমানে চরম আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রতিটা নিত্যসামগ্রীর দাম আগুন! চাল ২২০ টাকা, এক কেজি গুঁড়ো দুধ বিকোচ্ছে ১৯০০ টাকায়। বিদ্যুৎ নেই, খাবার নেই।

এমতাবস্থায় ফুঁসছেন প্রতিবেশী দেশের সাধরণ নাগরিকরা। কী খাবেন? কীভাবেই বা দিন পার হবে? ভেবে চিন্তার ভাঁজ কপালে।

এক কাপ চায়ের দর উঠেছে ১০০ টাকা! সেই পরিস্থিতিতে অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ তার নিজের দেশের কথা ভেবে গভীর শোকাহত।

নেটমাধ্যমে শ্রীলঙ্কার জাতীয় পতাকার একটি ছবি শেয়ার করে দীর্ঘ বার্তা দিলেন ‘মার্ডার টু’ এর নায়িকা।জ্যাকুলিন লিখেছেন, ‘শ্রীলঙ্কার নাগরিক হিসেবে আমার দেশ ও দেশবাসী যে অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তা নিয়ে আমি মর্মাহত।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্ববাসী অনেক পরামর্শ দিচ্ছে। তবে, আমি বলব, যে খবর রটছে তার ভিত্তিতে শোরগোল না করে শ্রীলঙ্কার মানুষের পাশে থাকাই এখন কর্তব্য।’

তিনি আরও জানান, তার দেশের মানুষের এখন সহানুভূতি আর সমর্থন প্রয়োজন। তাদের শক্তি, সুস্থতা যেন বজায় থাকে সেইজন্য ২ মিনিট নীরবতা পালন করে যেন প্রার্থনা করে সবাই, এমনটাই চান জ্যাকুলিন।

এই প্রার্থনার সঙ্গে সমস্ত সিংহলবাসীকে একজোট হয়ে খারাপ সময়ের মোকাবিলা করার ডাক দিয়েছেন তিনি। বলেছেন, শিগগিরই এই দুঃসময় শেষ হবে, এমনটাই আশা করছেন তিনি।

মুলত ভারত কর্মভূমি হলেও, জ্যাকলিনের জন্মস্থান শ্রীলঙ্কা। এখনও তাঁর পৈতৃক ভিটে-মাটি রয়েছে সেদেশে। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধবরাও রয়েছেন।

তাঁদের কথা ভেবেই অভিনেত্রীর রাতের ঘুম উড়েছে। দু’চোখের পাতা এক করতে পারছেন না কিছুতেই। সেকথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় জানালেন অভিনেত্রী।

জ্যাকলিনের মন্তব্য, “আমার দেশ তথা দেশবাসীদের এহেন চরম পরিস্থিতিতে দেখে একজন শ্রীলঙ্কান হিসেবে খুব কষ্ট হচ্ছে।”

Latest news
Related news